রাঙামাটি । রোববার, ২৬ মে ২০২৪ , ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

কাপ্তাই প্রতিনিধিঃ-

প্রকাশিত: ১১:৩১, ১৭ মার্চ ২০২৩

আপডেট: ১১:৩২, ১৭ মার্চ ২০২৩

কর্ণফুলী নদীর কাপ্তাই পিডিবি অংশে সব ধরনের জাল দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ

কর্ণফুলী নদীর কাপ্তাই পিডিবি অংশে সব ধরনের জাল দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ

কর্ণফুলী নদীর পিডিবি এলাকার ইউটিলিটি সার্ভিসের আওতাধীন এলাকায় সব ধরনের জাল দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করে একটি নোটিশ জারী করেছে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ (কপাবিকে)। একইসাথে কপাবিকের তালিকাভুক্ত জেলে ছাড়া অন্য কেউ ওই জায়গায় মাছ আহরণ করতে পারবেনা বলে ওই নোটিশে জানানো হয়। এই নিষেধাজ্ঞা গত বুধবার ১৫ মার্চ (বুধবার) থেকে কার্যকর করেছে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী এটিএম আব্দুজ্জাহেরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউটিলিটি সার্ভিসের আওতাধীন এলাকায় মাছ ধরার জন্য কপাবিকে কর্তৃক নির্ধারিত জেলে রয়েছে। যেখানে ওইসব জেলেদের ম্যাশ সাইজের জাল দিয়ে লেকের মাছ শিকার করা এবং কাপ্তাই প্রজেক্ট এলাকার নির্দিষ্ট বাজারে এসব মাছ বেচাকেনা করার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন থেকে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তালিকাভুক্ত জেলে ছাড়াও অবৈধ ভাবে অনেক জেলে বিভিন্ন পরিমাপের জাল দিয়ে কর্ণফুলীর ওই অংশে মাছ শিকার করছে। অত্যন্ত ছোট পরিমাপের জাল ব্যবহারের ফলে জালে সব ধরনের মাছ উঠে আসছে। বিশেষ করে সব ধরনের ডিমওয়ালা মাছ, ছোট রেনু এমনকি যেসব মাছ সদ্য পানিতে ডিম ছেড়েছে সেসব মাছও ছোট জালে উঠে আসছে। এ ধরনের রেণু, ক্ষুদ্র মাছের পোনা জালে উঠে আসলেও সেটি কোন ভাবেই হাতে উঠে না এবং খাওয়াও যায় না। ফলে মাছের বংশ ধ্বংস হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, এসব জাল ব্যবহারের ফলে নদী মাছ শূণ্য হয়ে পড়ছে। এমনিতেই নদীতে মাছ কম পাওয়া যায়, তার উপর যদি এভাবে জাল দিয়ে মাছ ধরা হয়, তবে অচিরেই কাপ্তাই লেক মাছ শূণ্য হয়ে পড়বে। তাই মাছের বংশ বিস্তার রক্ষা করতে কর্ণফুলী নদীর পিডিবি অংশে নির্ধারিত জেলে এবং নির্ধারিত জাল ছাড়া অন্য কেউ মাছ শিকার করতে পারবে না। এর ব্যতিক্রম হলে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। এক্ষেত্রে তিনি কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসনসহ সকল জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেন।

সম্পর্কিত বিষয়: