রাঙামাটি । রোববার, ২৩ জুন ২০২৪ , ৮ আষাঢ় ১৪৩১

নিউজ ডেস্কঃ-

প্রকাশিত: ১০:৪০, ১৮ আগস্ট ২০২৩

বিএনপি-জামায়াত যেভাবে জঙ্গি প্রতিষ্ঠা করেছিল, জানালেন জয়

বিএনপি-জামায়াত যেভাবে জঙ্গি প্রতিষ্ঠা করেছিল, জানালেন জয়

বিএনপি-জামায়াতের রাষ্ট্রীয়ভাবে জঙ্গি প্রতিষ্ঠা নিয়ে ফেসবুক ও টুইটারে ভিডিওসহ স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় ফেসবুকে পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‌‘২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় কীভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে, তথ্যপ্রমাণসহ তার কিছু নমুনা দেখে আসি এই ভিডিওতে। পুরো ভিডিও দেখুন আর জানার চেষ্টা করুন, বাংলাদেশকে সাক্ষাৎ নরকে পরিণত করেছিল বিএনপি-জামায়াত।’

টুইটারে এক পোস্টে সজীব ওয়াজেদ বলেন, ‘‘তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে জঙ্গি নেতা সিদ্দিকুর রহমান ওরফে বাংলা ভাইয়ের শীর্ষ সহযোগী পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্তি পায়।

মূলধারার গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের কিছু শিরোনাম- ‘জঙ্গিবাদের উত্থানের পেছনে সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতার জন্য দায়ী বিএনপি-জামায়াতের আট নেতা ও মন্ত্রী’, ‘পুলিশি পাহারায় রাজশাহী শহরে ঘুরে বেড়িয়েছে বাংলা ভাইয়ের ক্যাডাররা’, ‘আওয়ামী লীগ নেতাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বাংলা ভাইয়ের ক্যাডাররা’, ‘গ্রেফতারের পর শীর্ষ জঙ্গিদের ছেড়ে দেওয়া হয়’।

২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন সরকার ভয়ংকর জঙ্গি সংগঠন জেএমবির উত্থানের পেছনে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছিল, যারা শুধু আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদেরই নয় প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ, লেখক ও কর্মীদের ওপরও ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছিল। ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট ৬৩টি জেলায় একযোগে নজিরবিহীন বোমা হামলা চালানো হয়, যা কুখ্যাত বাংলাভাই নেতৃত্বাধীন সংগঠন জেএমবি কর্তৃক সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করে।’’

টুইটারে ওই পোস্টের সাথে একটি ভিডিও চিত্রও শেয়ার করেন জয়। তিনি বলেন, ‘এই ভিডিওতে কিছু মিডিয়া রিপোর্ট রয়েছে যাতে বিএনপি জামায়াত সরকারের সময় যারা এই জঙ্গিদের সাথে একযোগে কাজ করেছিল এবং প্রগতিশীল ও উদারশক্তিকে নির্মূল করার জন্য এই চরমপন্থীদের বেড়ে উঠতে এবং আক্রমণ চালাতে সহায়তা করেছিল তাদের সদস্যদের মুখোশ উন্মোচন করে।’

‘কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি চালু করা হয়েছে এবং সেই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কগুলো ধ্বংস করা হয়েছে যার ফলে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে।’