রাঙামাটি । শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪ , ২৮ আষাঢ় ১৪৩১

ব্রেকিং

গভীর রাতে কাপ্তাইয়ের কেপিএমে আগুন, উৎপাদন বন্ধবন্যপ্রাণী বাঁচাতে হলে পরিবেশ ও আবাসস্থল ঠিক রাখতে হবেরাঙামাটিতে ছেলে ধরা সন্দেহে আটক ১বগুড়ায় একই পরিবারের নিখোঁজ ৭ জনকে রাঙামাটিতে উদ্ধারক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের আর্থিক অনুদান দিলো রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদপরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: দীপংকর তালুকদারনারী পাচার চক্রের তিন চাকমা সদস্যকে জেল হাজতে প্রেরণবাঘাইছড়িতে বন্যার পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারটানা বর্ষণে কাপ্তাই হ্রদে পানি বৃদ্ধি, চার ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৬৪ মেগাওয়াটখাগড়াছড়িতে পাহাড়ধস: ৩ ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিকতিন দিনের সফরে রাঙামাটি আসছেন রাষ্ট্রপতিরাঙামাটিতে পাহাড় ধসের সর্তকতায় মাইকিং, প্রস্তুত ২৬৭ আশ্রয়কেন্দ্ররাঙামাটিতে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিতবাঘাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২৭ জুলাই, ভোট ইভিএমে

নিউজ ডেস্কঃ-

প্রকাশিত: ১৬:৪০, ১০ জুলাই ২০২৪

কোটা আন্দোলন নিয়ে বিএনপির মাস্টারপ্ল্যান, নাশকতার পরিকল্পনা

কোটা আন্দোলন নিয়ে বিএনপির মাস্টারপ্ল্যান, নাশকতার পরিকল্পনা

২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা প্রচলিত ছিল। ওইবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যাপক কোটাবিরোধী আন্দোলনের ফলে নবম থেকে ত্রয়োদশ গ্রেড পর্যন্ত চাকরির ক্ষেত্রে কোটা সুবিধা পুরোপুরি বাতিল করে দেয় হাইকোর্ট।

পরে ২০২১ সালে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাইকোর্টে রিট করেন। সে রিটের শুনানি নিয়ে কেন ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়।

পরে আদালত তার বক্তব্যে বলেছেন ‘আগের মতো কোটা বহাল থাকবে’। এই রায়ের পর কোটা পদ্ধতি বাতিল এবং ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা সর্বাত্মক ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আন্দোলন শুরু করে চাকরি প্রত্যাশি শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১০ জুলাই) কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া সেই রায়ের ওপর স্থিতাবস্থা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এর ফলে কোটা বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকারের জারি করা পরিপত্রটিই বহাল থাকছে।

কিন্তু এরপরও রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। এখন প্রশ্ন উঠেছে- আদালতের রায়ের পরও তীব্র গরমে মধ্যে সাধারণ মানুষ ও হাসপাতালগামী রোগীদের কেনো ভোগান্তিতে ফেলছে শিক্ষার্থীরা?

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই আন্দোলনের ছদ্মাবরণে মাঠে নেমেছে সরকারবিরোধী শক্তি। আন্দোলনে আর্থিক সহযোগিতা করছে বিএনপি-জামায়াত। ছাত্রদল ও শিবিরকে পেছন থেকে সাংগঠনিক শক্তি দিতে নির্দেশ দিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড।

তাদের উদ্দেশ্য, কোটা আন্দোলনকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে নিয়ে যাওয়া। সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলা এবং সরকার উৎখাত করে পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখল করা। এখন সময় এসেছে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার।

জনপ্রিয়