রাঙামাটি । শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪ , ২৮ আষাঢ় ১৪৩১

ব্রেকিং

গভীর রাতে কাপ্তাইয়ের কেপিএমে আগুন, উৎপাদন বন্ধবন্যপ্রাণী বাঁচাতে হলে পরিবেশ ও আবাসস্থল ঠিক রাখতে হবেরাঙামাটিতে ছেলে ধরা সন্দেহে আটক ১বগুড়ায় একই পরিবারের নিখোঁজ ৭ জনকে রাঙামাটিতে উদ্ধারক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের আর্থিক অনুদান দিলো রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদপরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: দীপংকর তালুকদারনারী পাচার চক্রের তিন চাকমা সদস্যকে জেল হাজতে প্রেরণবাঘাইছড়িতে বন্যার পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারটানা বর্ষণে কাপ্তাই হ্রদে পানি বৃদ্ধি, চার ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৬৪ মেগাওয়াটখাগড়াছড়িতে পাহাড়ধস: ৩ ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিকতিন দিনের সফরে রাঙামাটি আসছেন রাষ্ট্রপতিরাঙামাটিতে পাহাড় ধসের সর্তকতায় মাইকিং, প্রস্তুত ২৬৭ আশ্রয়কেন্দ্ররাঙামাটিতে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিতবাঘাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২৭ জুলাই, ভোট ইভিএমে

নিউজ ডেস্কঃ-

প্রকাশিত: ১১:৪৪, ৪ জুলাই ২০২৪

যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে সিরাজগঞ্জ সদর, চৌহালী, শাহজাদপুরের বেশ কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

যমুনা নদীর পানি অব্যাহতভাবে বাড়তে থাকায় সিরাজগঞ্জে নদী ভাঙনের পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে।

গত ১২ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ২১ সেন্টিমিটার বেড়ে বৃহস্প‌তিবার সকা‌লে সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জের কাওয়াকোল ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান (জিয়া মুন্সি) বলেন, নদীভাঙনে জেলার মানচিত্র থেকে মুছে যেতে চলেছে কাওয়াকোলা ইউনিয়ন। ভাঙন রোধে পাউবো কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। কাওয়াকোলা ইউনিয়নের হাট বয়ড়া, দৌগাছী, বড়কয়রা, ছোট কয়রা, কৈগাড়ী দড়তা, চন্ডল বয়ড়া, বেড়া বাড়ী গ্রামে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। অনেক গ্রাম এরইমধ্যে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। চলতি বছর এ পর্যন্ত ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি নদীতে চলে গেছে। ভাঙনের কারণে কমিউনিটি ক্লিনিক নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।

ইউপি চেয়ারম্যান আরো বলেন, সহায় সম্বল হারিয়ে এসব পরিবারের মানুষ এখন নিঃস্ব। এ ছাড়া দুটি মুজিব কেল্লা, সাড়ে ৪ কিলোমিটার পাকা রাস্তা, বর্ণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভাঙনের মুখে রয়েছে। ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এগুলোও বিলীন হয়ে যাবে।

এদিকে শাহজাদপুর উপজেলার জালালপুর, পাচিল, হাট পাচিল ও সৈয়দপুর গ্রামেও নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে। বুধবার বিকেলে পাচিল গ্রামের কোবাদ মাস্টারের দোতলা ভবন নদীগর্ভে ধসে পড়েছে। এ ছাড়া বহু ঘরবাড়িও নদীতে ভেঙে পড়ছে।

সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, যমুনা নদী ভাঙছে। নদী ভাঙনের কারণে যেকোনো মুহূর্তে বয়কয়রা কমিউনিটি ক্লিনিক নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এ কারণে কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে নিলাম বিক্রির কমিটি গঠন করা হ‌য়ে‌ছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, ভাঙন রোধে কাজ করা হচ্ছে। কিছু কিছু জায়গায় ভাঙন রয়েছে। ভাঙনকবলিত এলাকা চিহ্নিত করে জিওটিউব বালির বস্তা ফেলা হচ্ছে।

জনপ্রিয়