রাঙামাটি । শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪ , ২৮ আষাঢ় ১৪৩১

ব্রেকিং

গভীর রাতে কাপ্তাইয়ের কেপিএমে আগুন, উৎপাদন বন্ধবন্যপ্রাণী বাঁচাতে হলে পরিবেশ ও আবাসস্থল ঠিক রাখতে হবেরাঙামাটিতে ছেলে ধরা সন্দেহে আটক ১বগুড়ায় একই পরিবারের নিখোঁজ ৭ জনকে রাঙামাটিতে উদ্ধারক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের আর্থিক অনুদান দিলো রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদপরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: দীপংকর তালুকদারনারী পাচার চক্রের তিন চাকমা সদস্যকে জেল হাজতে প্রেরণবাঘাইছড়িতে বন্যার পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারটানা বর্ষণে কাপ্তাই হ্রদে পানি বৃদ্ধি, চার ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৬৪ মেগাওয়াটখাগড়াছড়িতে পাহাড়ধস: ৩ ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিকতিন দিনের সফরে রাঙামাটি আসছেন রাষ্ট্রপতিরাঙামাটিতে পাহাড় ধসের সর্তকতায় মাইকিং, প্রস্তুত ২৬৭ আশ্রয়কেন্দ্ররাঙামাটিতে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিতবাঘাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২৭ জুলাই, ভোট ইভিএমে

বিজ্ঞান ডেস্কঃ-

প্রকাশিত: ১১:০৮, ১৩ জুলাই ২০২৩

পৃথিবী সদৃশ গ্রহের সন্ধান, যেখানে মেঘ বলয় ধাতব পদার্থের

পৃথিবী সদৃশ গ্রহের সন্ধান, যেখানে মেঘ বলয় ধাতব পদার্থের
ছবি: সংগৃহীত

নতুন একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এটি পৃথিবী থেকে ২৬০ আলোকবর্ষ দূরে, দেখতে উজ্জ্বল। গ্রহটিকে ঘিরে রয়েছে ধাতব পদার্থের মেঘের বলয়।

এ মেঘ বলয়ের কারণে গ্রহটি যে নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘোরে তার ৮০ শতাংশ আলোই প্রতিফলিত করতে পারে। তাই গ্রহটিকে বলা হচ্ছে, কসমিক মিরর বা ‘মহাজাগতিক আয়না’।

পৃথিবী থেকে ২৬০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত গ্রহটির নামকরণ করা হয়েছে, এলটিটি-৯৭৭৯ বি। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির (ইউএসএ) ‘ক্যারেক্টারাইজিং এক্সোপ্ল্যানেট স্যাটেলাইট’ মিশন সম্প্রতি ওই গ্রহের ওপর পর্যবেক্ষণ চালায়।

বিজ্ঞান সাময়িকী স্পেস ডটকম জানিয়েছে, ২০২০ সালে এলটিটি-৯৭৭৯বি আবিষ্কার করে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। পরে ঐ গ্রহ পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পায় ইএসএ।

২০২০ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত কয়েক বছর পর্যবেক্ষণের পর সংস্থাটি জানায়, গ্রহটি প্রতি ১৯ ঘণ্টায় সূর্যের মতো দেখতে একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে এলটিটি-৯৭৭৯বি। গ্রহটিকে ঘিরে সিলিকেট ও টাইটেনিয়াম ধাতু দিয়ে তৈরি ধাতব মেঘের বলয় রয়েছে। বলয়টি ধাতব হওয়ায় গ্রহটি সেখানে পৌঁছানো আলোর প্রায় ৮০ শতাংশই প্রতিফলন করে।

গ্রহটির বর্ণনা দিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স জার্নাল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রহটির ব্যাস পৃথিবীর চেয়ে ৪ দশমিক ৭ গুণ। এটি সূর্যের মতো একটি নক্ষত্রকে বুধের চেয়ে অনেক কাছাকাছি দূরত্বে থেকে প্রদক্ষিণ করে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রুক্ষ ভূপৃষ্ঠ এবং গ্রহের স্থলভাগ আলো শোষণ করে ফেলায় বেশিরভাগ গ্রহই আলো প্রতিফলিত করতে পারে না। বিজ্ঞানীরা জানান, এই প্রথম এ ধরনের কোনো উজ্জ্বল গ্রহ তার নক্ষত্রের কাছে পাওয়া গেলো।

জনপ্রিয়