রাঙামাটি । শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪ , ২৮ আষাঢ় ১৪৩১

ব্রেকিং

গভীর রাতে কাপ্তাইয়ের কেপিএমে আগুন, উৎপাদন বন্ধবন্যপ্রাণী বাঁচাতে হলে পরিবেশ ও আবাসস্থল ঠিক রাখতে হবেরাঙামাটিতে ছেলে ধরা সন্দেহে আটক ১বগুড়ায় একই পরিবারের নিখোঁজ ৭ জনকে রাঙামাটিতে উদ্ধারক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের আর্থিক অনুদান দিলো রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদপরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: দীপংকর তালুকদারনারী পাচার চক্রের তিন চাকমা সদস্যকে জেল হাজতে প্রেরণবাঘাইছড়িতে বন্যার পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারটানা বর্ষণে কাপ্তাই হ্রদে পানি বৃদ্ধি, চার ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৬৪ মেগাওয়াটখাগড়াছড়িতে পাহাড়ধস: ৩ ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিকতিন দিনের সফরে রাঙামাটি আসছেন রাষ্ট্রপতিরাঙামাটিতে পাহাড় ধসের সর্তকতায় মাইকিং, প্রস্তুত ২৬৭ আশ্রয়কেন্দ্ররাঙামাটিতে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিতবাঘাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২৭ জুলাই, ভোট ইভিএমে

বাঘাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধিঃ-

প্রকাশিত: ১৫:০৩, ২৩ জুন ২০২৪

সাজেকের দুর্গম পাড়ায় ডায়রিয়া ও জ্বরে আক্রান্ত অর্ধশতাধিক

​​​​​​​দ্রুত মেডিকেল টিম পাঠানোর দাবি

সাজেকের দুর্গম পাড়ায় ডায়রিয়া ও জ্বরে আক্রান্ত অর্ধশতাধিক

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের দুর্গম বেটলিং মৌজার তিনটি গ্রাম অরুণ পাড়া, তারুম পাড়া ও নিউথাংনাং পাড়ায় ছড়িয়ে পড়েছে ডায়রিয়া ও জ্বর। এতে তিনটি পাড়ার প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার অভাবে মুমূর্ষু অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি দ্রুত মেডিকেল টিম পাঠিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা না নিলে অবস্থা আগের মত খারাপের দিকে যাবে।

গত এক সাপ্তাহ ধরে এসব এলাকার মানুষ জ্বর, কাশি, রক্ত বমি ও ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। আশপাশে কোথাও কমিউনিটি ক্লিনিক বা চিকিৎসা কেন্দ্র নাই। সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় এসব গ্রামে দ্রুত পৌঁছানো যাচ্ছে না মেডিকেল টিম ও  চিকিৎসা সরঞ্জাম।

রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডা: নুয়েন খীসা জানান, ইতোমধ্যে বিষয়টি জেনেছি। ডায়রিয়া প্রধান কারণ নয়, জ্বরের কারণে হয়তো কিছুটা দুর্বল হয়ে গেছে। সেখানে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মী ও ব্র্যাকের একটি টিম কাজ শুরু করেছে। প্রয়োজনে আরো মেডিকেল টিম পাঠানো হবে।

এদিকে, বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিরীন আক্তার বিষয়টি শিকার করে বলেন, এলাকাটি খুবই দুর্গম, সেখানে কোন স্যানিটেশন ব্যবস্থা ও বিশুদ্ধ পানির উৎস নেই। তাই বর্ষা মৌসুমে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগের প্রকোপ দেখা যায়। সেখানে যাওয়ার জন্য কোন সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। দ্রুত মেডিকেল টিম পাঠাতে হলে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারের সাহায্য প্রয়োজন, বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ, গত ২০১৬ ও ২০২০ সালে সাজেকের এসব গ্রামে ডায়রিয়া ও হামে আক্রান্ত হয়ে ৯ শিশুসহ ১৫ জন গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়।

সম্পর্কিত বিষয়:

জনপ্রিয়